ArabicBengaliEnglishHindi

থানায় তদারকি বাড়াতে আইজিপির নির্দেশ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ২৩, ২০২৩, ৭:৩১ অপরাহ্ণ / ১৯
থানায় তদারকি বাড়াতে আইজিপির নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :- ঢাকা: থানাগুলোতে তদারকি বাড়ানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা শেষে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

এ সভায় সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপাররা যুক্ত ছিলেন।

আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, পুলিশের সেবা প্রদানের মূল কেন্দ্র থানা। থানায় আসা সেবা প্রত্যাশীদের সমস্যা সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে যথাযথ আইনি সহায়তা প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে তদারকি বাড়ানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশনাও প্রদান করেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতিতে বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সফল হয়েছে। পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম। প্রধানমন্ত্রী মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। পুলিশ এ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করছে। পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

এ সময় আইজিপি মামলা তদন্তের গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আইজিপি আরও বলেন, অপরাধ দমনে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নীতি জনমনে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট থাকার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত উন্নত সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্য নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন আইজিপি।

এর আগে, সোমবার সকালে অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় গত বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি যেমন- ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি, সিঁধেল চুরি, খুন, অপমৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র উদ্ধার ইত্যাদি মামলা সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন মামলার পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত নভেম্বর মাসের তুলনায় ডিসেম্বর মাসে মোট রুজু করা মামলা, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা হ্রাস পেয়েছে।

%d bloggers like this: