ArabicBengaliEnglishHindi

কারচুপির সুযোগ নেই ইভিএম-এ: ইসি


প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ৫, ২০২৩, ৫:০৬ অপরাহ্ণ / ২৫
কারচুপির সুযোগ নেই ইভিএম-এ: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক:- খুলনা: নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.) বলেছেন, বর্তমান কমিশন প্রায় পাঁচশটি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছে। এগুলোর প্রায় সবকটিতে ভোট ইভিএম-এ নেওয়া হয়েছে।

ইভিএম-এ কারচুপি বা জাল ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইভিএম ব্যবহারে কোনো স্থানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি, কেউ মৃত্যুবরণ করেনি এবং ব্যালট লুট হয়নি। ইভিএম’র তথ্য কখনও হারিয়ে যাবে না।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শক্তিশালীকরণ (এসসিডিইসিএস) প্রকল্প কর্তৃক ‘নির্বাচনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে চ্যালেঞ্জসমূহ উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব খান (অব)।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

এ সময় নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রশাসন-পুলিশ, শিক্ষকসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব। নির্বাচনের মতো বৃহৎ কর্মযজ্ঞ কেবল একক কোনো সংস্থার মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্যমে এক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এই কমিশন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। নির্বাচনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা বজায় রাখা এবং ভোটকেন্দ্রে সকল ধরনের অনিয়ম রোধ করতে বিভিন্ন সময় ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সকল দলকে নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে হবে। আগামী নির্বাচনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক অশোক কুমার দেবনাথ, খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইউসুপ আলী ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হুমাযুন কবির।

কর্মশালায় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলের শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

%d bloggers like this: