ArabicBengaliEnglishHindi

প্রতিবাদ


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ / ৩৫
প্রতিবাদ

প্রতিবাদ

দৈনিক আইনের চোখ পত্রিকায় ১২-০৯-২০২২ ইং সোমবার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ। শিরোনাম “খুলনা কালভেরী এ্যাপোষ্টলিক চার্চ স্বার্থগত দ্বন্ধে ধ্বংসের মুখে” কিন্তু কথাটি সত্যের বিপরীত। খুলনা কালভেরী এ্যাপোষ্টলিক চার্চের বিশপ জন হীরা ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দ হতে সুনামের সহিত বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হয়ে কাজ করে আসছেন। তিনি বিনয়ী সুভাষী ও অত্যন্ত পরোপকারী ধর্মযাজক। বাংলাদেশের চার টি জেলা খুলনা,নড়াইল,গোপালগঞ্জ এবং যশোর চার্চ ও স্কুল পরিচালিত হয়ে আসছে। খুলনা কালভেরী এ্যাপোষ্টলিক চার্চ প্রধান কার্যলয়ের তত্ত্ববধানে একটি এতিমখানা পরিচালিত হয়ে আসছে। সকল ধর্মের অসহায় দুঃস্থ’ ছেলে-মেয়েরা বিনামুল্যে অধ্যয়নের সুযোগ পান। খুলনা কালভেরী এ্যাপোষ্টলিক চার্চ স্কুলে পড়াশুনা শেষে অনেক ছাত্র-ছাত্রী দেশ-বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত । দেশ-বিদেশে কর্মরত প্রাক্তন ছাত্র – ছাত্রীরা বৈদেশিক মুদ্রা দেশে প্রেরন করছেন। আমার দেখামতে, বিশপ ডঃ জন হীরা কখনও কাউকেই খালি হাতে ফেরৎ দেন নি, বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কেউ এসেছে মেয়ের বিবাহের সাহায্যে, কেউ এসেছে ছেলে-মেয়ের শিক্ষা সহায়তার জন্য,কেউ এসেছে মাথা গোজার আশ্রয়ের জন্য, আবার কেউ বা এসেছেন চিকিৎসা সহায়তার জন্য।তাঁর বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ আনা হয়েছে তিনি ষ্টাফদের ১০% বেতন কেটে নেন, বাইবেলীয় নীতি অনুযায়ী চার্চ, স্কুল ও প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মচারীর সেবা কাজের জন্য তাদের বেতনের এক-দশমাংশ (উপহার) হিসাবে প্রদান করে থাকেন। নিয়ম নীতি না মানলে বা তার উপর অর্পিত সঠিক কাজ না করলে যে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধান তার কর্মচারীদের অব্যহতি দেন,এখানে ও অনুরুপ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চার্চ সকলের জন্য উন্মুক্ত। প্রতি রবিবার সকল কালভেরী এ্যাপোষ্টলিক চার্চে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। একটি স্বার্থন্বেষী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের চার্চের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য মুলকভাবে ক্রমাগত অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই রকম উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রচারে
কালভেরী এ্যাপোষ্টলিক চার্চের পক্ষে,
পাষ্টর বিধান বৈরাগী