ArabicBengaliEnglishHindi

পাকিস্তানি প্রথম সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাব অতিক্রম করা 


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৮, ২০২২, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ / ১৩
পাকিস্তানি প্রথম সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাব অতিক্রম করা 

বিনোদন ডেস্ক:- সম্প্রতি মুক্তি প্রাপ্ত পাকিস্তানি সিনেমা ‘দ্য লেজেন্ড অফ মৌলা জাঠ’ প্রথবারের ১০০ কোটির ক্লাব অতিক্রম করে ইতিহাস গড়েছে। পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কোনো সিনেমা এর আগে ১০০ কোটির ক্লাব অতিক্রম করতে পারেনি। এমনটাই জানা গেছে পাকিস্তানের অনলাইন গণমাধ্যম ‘নিউজ৩৬০’- এ প্রকাশিত এক সংবাদে।

চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘দ্য লেজেন্ড অফ মৌলা জাঠ’। সিনেমাটি মুক্তির দশ দিন পর ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করেছে।

১০০ কোটি টাকার ক্লাবে ভারতীয় যে ছবিগুলো রয়েছে, সেই তালিকায় ‘দঙ্গল’, ‘পিকে’, ‘সঞ্জু’র মতো বলিউডের অনেক ছবি রয়েছে। ভারতের বক্স অফিসের পাশাপাশি বিশ্বদরবারেও সেই ছবিগুলো অনেক প্রশংসা লাভ করেছে।

কিন্তু পাকিস্তানের এবারের ঘটনাটি অন্যরকম। ২০২২ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত একটি পাকিস্তানি ছবিও উপার্জনের দিক দিয়ে সে দেশের মুদ্রায় ১০০ কোটি রুপির গণ্ডি পার হতে পারেনি। অন্য দিকে ভারতে ‘আরআরআর’, ‘বাহুবলি’র মতো অনেক ছবি ১০০ কোটির গণ্ডি অতিক্রম করে।

চলতি মাসেই পাকিস্তানের এই অবস্থার পরিবর্তন হয়। পাকিস্তান ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রথম প্রবেশ করে ‘দ্য লেজেন্ড অফ মৌলা জাঠ’ ছবির মাধ্যমে। তা-ও আবার ছবি মুক্তি পাওয়ার দশ দিনের মাথায় এই সাফল্য।

চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘দ্য লেজেন্ড অফ মৌলা জাঠ’। এই ছবিটি ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মৌলা জাঠ’ নামের ক্লাসিক ঘরানার ছবির উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়েছে।

‘দ্য লেজেন্ড অফ মৌলা জাঠ’ ছবির পরিচালনা করেছেন বিলাল লসহরি। ২০১৩ সালে পরিচালক এই ছবি প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছিলেন। চিত্রনাট্যের কাজ শেষ হওয়ার তিন বছর পর কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে ফাওয়াদ খান এবং হামজা আলি আব্বাসি চুক্তিবদ্ধ হন। এই ছবিতে পাকিস্তানি জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খানকও অভিনয় করেছেন।

‘হমসফর’ ধারাবাহিকের পর ফাওয়াদ-মাহিরার জুটি বেশ জনপ্রিয় হয়। দর্শক মহল তাদের জুটি হিসেবে দেখার জন্য রীতিমতো মুখিয়ে থাকে।

এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের সেই স্বাদও মিটেছে। ছবি মুক্তি পাওয়ার আট দিনের মধ্যেই ছবিটি ৮০ কোটি রুপি উপার্জন করে। মুক্তির দশ দিন পরেই এই ছবি ১০৯ কোটি রুপি উপার্জন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেনসহ এই ছবি সংযুক্ত আরব আমিরাতেও মুক্তি পেয়েছে। এতদিন পর্যন্ত পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশি উপার্জন করা ছবির তালিকার শীর্ষে ছিল ‘জওয়ানি ফির নেহি আনি-২’। ২০১৮ সালে এ ছবিটি মুক্তি পায়।

বক্স অফিস থেকে এই ছবিটি পাকিস্তানি মুদ্রায় মাত্র ৭০ কোটি রুপি উপার্জন করেছিল। ‘দ্য লেজেন্ড অফ মৌলা জাঠ’ছবিটির এই সাফল্যের পর পাকিস্তানের চলচ্চিত্র নির্মাতারা নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন।

%d bloggers like this: