ArabicBengaliEnglishHindi

দেবীগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণী ছাএ মারধর অভিযোগ উঠে।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৮, ২০২২, ৭:০৬ অপরাহ্ণ / ৩২
দেবীগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণী ছাএ মারধর অভিযোগ উঠে।

মোঃ মোমিন ইসলাম সরকার দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধ: আজ রবিবার ১৮-১২-২০২২ইং সকাল ৯.৩০ মিনিটে ৫৮ নং সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক ৩য় শ্রেনী ইস্কুল ছাএ কে মারধর করেন। বাদল নামে একজন লোকের বিরুদ্ধে।

!

৫৮ নং সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম মোঃ রিফাত ইসলাম ৩য় শ্রেনী (০৯) বছর বয়স পিতাঃ আব্দুর রাজ্জাক (৩৫) সাং সোনাপোতা দেবীডুবা, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়। ওপর দিকে নাম মোঃ তানভীর ৩য় শ্রেনী (১০) বছর বয়স পিতাঃ আব্দুর সাত্তার (৩৭) সাং সোনোপোতা,বানিয়াপাড়া, দেবীডুবা, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়, মারধর করেন তানভীর ইসলামের আপন চাচা মোঃ বাদল ইসলাম (৩৫) পিতা – সফিকুল ইসলাম (মন্তা) সাং উভয়ের সোনাপোতা বানিয়াপাড়া , দেবীডুবা, দেবীগঞ্জ – পঞ্চগড়। পুর্ব ঘটনা গত ১৫-১২-২০২২ ইং বৃহস্পতিবার ঘড়ির সময় দেখা নিয়ে মোঃ তানভীর ইসলাম ও রিফাত ইসলাম দুইজনেই কথা কাটাকাটি করে মারামারি করে পরে ৫৮ নং সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক গন এবং কমিটির লোকজন সহ মিটমাট করে দেন। আজকে আবার সেই সুএ ধরে আজকে সকাল ৯.৩০ মিনিটে ৩য় শ্রেনীর ছাত্র রিফাত ইসলাম ইস্কুল আসলে। ইস্কুল চলাকালীন অবস্থায় মোঃ বাদল ইসলাম তখন প্রধান শিক্ষকের সামনে থেকে টেনে ছিঁড়ে নিয়ে এলোপাথাড়ি কিল ঘুষি চর থাপ্পর মারেন এবং রিফাত কে হাত দিয়ে গোলাচেপে ধরেন তার পরে প্রধান শিক্ষক ও এলাকায় বাসী ছুটে আসে বাদলের হাত থেকে ইস্কুল ছাএ রিফাত কে উদ্ধার করেন। পরে এলাকাবাসী জানাজানি হলে বাদল ইসলাম সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে ৫৮ নং সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর ইস্কুল ছাত্রের অভিভাবক গন উপস্থিত হলে প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সদস্য দের কাছে মোঃ রিফাত ইসলামের মারধরের বিচার দাবি করেন। রিফাতের বাবা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ( কিনা) পড়ে প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সদস্য এবং এলাকায় বাসী সবাই মিলে দেবীগঞ্জ উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং এলাকায় বাসী, প্রধান শিক্ষক,সহ শিক্ষক, কমিটির সদস্য,দের নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক (কিনা) সুষ্ঠু ও ন্যায্য বিচারের দাবি জানিয়ে দেবীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

%d bloggers like this: