ArabicBengaliEnglishHindi

সৈয়দপুরে বারো বছরের শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ


প্রকাশের সময় : জুন ২৫, ২০২২, ৫:২৯ অপরাহ্ণ / ৫৪
সৈয়দপুরে বারো বছরের শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিস্কুট দেয়ার প্রলোভন দিয়ে বাড়িতে ডেকে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টা সময় উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের চওড়া অচিনের ডাঙ্গা এলাকায় ওই ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনার ধর্ষণের শিকার শিশুর বাবা মো. আলী হোসেন বাদী হয়ে মুদি দোকানদার লাল মিয়াকে (৩৬) আসামী করে শুক্রবার (২৪ জুন) সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটির ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এদিকে, ঘটনার পর থেকে মামলার আসামী মুদি দোকানদার লাল মিয়া গাঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলার আরজিতে বলা হয়, উপজেলার ২ নম্বর কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের চওড়া বালাপাড়া দিনমজুর মো. আলী হোসেন। তাঁর মেয়ে (১২) স্থানীয় একটি চুলের কেশ তৈরি কারখানায় কাজ করে। ঘটনার দিন বেলা আনুমানিক দেড়টার দিকে সে কর্মস্থল থেকে চওড়া বালাপাড়ার নিজ বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর তার মাকে জানিয়ে বিস্কুট কেনার জন্য বাড়ির পাশের অচিনের ডাঙ্গার জনৈক লাল মিয়ার মুদি দোকানে যায়। দোকানদার লাল মিয়া ওই শিশু কন্যাকে বিস্কুট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়ি ভেতরে ডেকে নেয়। এসময় তার বাড়িতে কোন লোকজন ছিলেন না। এ সুযোগে বাড়ি লোকজনের অনুপস্থিতিতে দোকান মালিক লাল মিয়া ওই শিশুটিকে বাড়ির একটি ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে বেশ কিছু সময় পরও শিশুটি বাড়িতে ফিরে না যাওয়ার তার মা তাকে খুঁজতে লাল মিয়ার দোকানে আসেন। কিন্তু এ সময় লাল মিয়ার মুদি দোকানটি বন্ধ পান শিশুটির মা। এ সময় তিনি তাঁর মেয়ের নাম ধরে তাকে ডাকতে থাকেন। মায়ের ডাক শুনে শিশু কন্যা লাল মিয়ার বাড়ি থেকে চিৎকার দেয়। শিশু কন্যা চিৎকার শুনে তার মা মুদি দোকানদারের বাড়িতে ছুটে যান। এ সময় শিশুটি ঘটনার বিষয়ে তার মাকে বিস্তারিত অবগত করে। সে সময় শিশুটির যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ার গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. আলী হোসেন বাদী হয়ে তাঁর শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মুদি দোকান মালিক লাল মিয়াকে আসামী করে সৈয়দপুর থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক ইন্দ্র মোহন রায় শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ থানায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্যাতিতা শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে। মামলার আসামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।