ArabicBengaliEnglishHindi

বঙ্গবন্ধু যেমন গণমাধ্যমকে ভালোবেসেছেন, গণমাধ্যমও তাঁকে ভালোবেসেছে: তথ্যমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৯, ২০২২, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ / ৫৭
বঙ্গবন্ধু যেমন গণমাধ্যমকে ভালোবেসেছেন, গণমাধ্যমও তাঁকে ভালোবেসেছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অত্যন্ত গণমাধ্যমবান্ধব। তাঁর নেতৃত্বে দেশে গণমাধ্যমের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছে। তাঁর হাত ধরেই দেশে বেসরকারি টিভির যাত্রা শুরু। ২০০৯ সালে তিনি আবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার সময় ১০টি টিভি ছিল। এখন ৪৫টি। ৩৮টি সম্প্রচারে আছে, শিগগিরই আরও টিভি সম্প্রচারে আসছে। বেসরকারি এফএম, কমিউনিটি বেতারও বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরেই এসেছে। এ ছাড়া দেশে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা এখন ১২০০–এর বেশি।

অনেক উন্নয়নশীল এমনকি অনেক উন্নত দেশের চেয়েও বাংলাদেশে গণমাধ্যম অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পাশাপাশি গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা অতীব প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পটভূমি তৈরিতে যেমন অপসাংবাদিকতা ভূমিকা রেখেছে, বাসন্তীকে জাল পরানো ছবি ছেপে এবং এমন অনেক মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে, তেমনি এখনো কিছু কিছু গণমাধ্যমে তেমন চর্চা দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকটের কথা এড়িয়ে গিয়ে শুধু দেশের দ্রব্যমূল্য নিয়ে সংবাদ দিলে তা ঠিক সাংবাদিকতা হয় না বলে মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডে হাতে গোনা কয়েকটি টিভি আর পত্রিকা, মালয়েশিয়ায় সব টিভির ফিড একটি ট্রান্সমিশন কেন্দ্রের মাধ্যমে যায়, কোনো বিতর্কিত বিষয় থাকলে ফিল্টার করা হয়, আমাদের দেশে তা হয় না। আমাদের দেশে গণমাধ্যম অনেক বেশি স্বাধীন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে মন্ত্রী প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন এবং এর বড় ক্যানভাস ও দুর্লভ চিত্রের সমাবেশের প্রশংসা করেন।

বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, দীপ্ত টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফুয়াদ চৌধুরী।