ArabicBengaliEnglishHindi

ধুতির সঙ্গে শাড়ি, কীভাবে ছক-ভাঙা ফ্যাশনে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি পুষ্পকের


প্রকাশের সময় : জুলাই ৩০, ২০২২, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ / ৩০
ধুতির সঙ্গে শাড়ি, কীভাবে ছক-ভাঙা ফ্যাশনে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি পুষ্পকের
* ইন্সটাগ্রাম খুঁজলে দেখা যাবে ছেলেদের পোশাক নিয়েও একাধিক এক্সপেরিমেন্ট করেছেন পুষ্পক। লাল, গোলাপি, নীল… ছেলেদের ক্ষেত্রে রঙের বেড়াজাল ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন, প্রমাণ করেছেন নিজেকে
* ধুতির সঙ্গে শাড়ি, কীভাবে ছক-ভাঙা ফ্যাশনে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি পুষ্পকেরশাড়ি-ধুতিতে মিথ ভাঙলেন যাঁরা
প্লিট করে পরা তাঁতের শাড়ি, টানটান খোঁপা বাঁধা চুল, হাইনেক গেঞ্জির ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে ওভার জ্যাকেট। এক হাতে ব্যাগ অন্য হাতে বাঙালির চিরপরিচিত লম্বা ছাতা, কপালে লাল টিপ… গত বছর ইতালির মিলানের রাস্তায় এমনই এক ভারতীয় যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনসেশন তৈরি করেছিলেন। নাম পুষ্পক সেন। কলকাতারই বাসিন্দা। কলকাতায় পড়াশোনার পাট চুকিয়ে বর্তমানে ইতালির বাসিন্দা তিনি। ফ্লোরেন্সের বিখ্যাত ফ্যাশন ইনস্টিটিউট ‘পলিমোডা’-য় ‘ফ্যাশন মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ নিয়ে পড়াশোনা করছেন পুষ্পক। শাড়িকে ফ্যাশান স্টেটমেন্ট করে তুলতেই যে তাঁর এই বিশেষ সাজ, একথা বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন পুষ্পক। আমাদের দেশের নিজস্ব একটা ফ্যাশান পরিসর রয়েছে। বিদেশের মাটিতে দেশীয় পোশাকের ভাবনা ছড়িয়ে দিতেই তাঁর এই প্রয়াস। বেশ কিছু ধুতি আর শাড়ি তিনি ওদেশে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন। মাঝেমধ্যেই কলেজে যান ধুতি-শাড়ি পরে।
কাঁথা স্টিচ, বালুচরি থেকে শুরু করে বেগমপুরি, তাঁত, সম্বলপুরি কটকি, ইক্কত… আমাদের দেশের প্রতিটি শাড়ির নেপথ্যেই থাকে একটা করে গল্প। সেই গল্পই সবার সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন পুষ্পক। প্যারিসের রাস্তায় শাড়ি পরে কখনও তিনি নাচছেন, কখনও আবার জমিয়ে ইন্সটিটিউটের বাকি বন্ধুদের সঙ্গে সেলফিও তুলছেন। শাড়ি পরে একাধিক ছবি আছে তাঁর। তবে কোথাও গিয়ে মনে হয়নি যে তিনি নিজেকে অতিরঞ্জিত করছেন। অবলীলায় কালো বেনারসি যেমন অঙ্গে জড়িয়ে নিয়েছেন, তেমনই বেগমপুরি কটন পরে ঘুরে বেড়ান উত্তর কলকাতার ওলিতে-গলিতে। কখনও সটান হাজির হন গঙ্গার ঘাটে। লাল-পেড়ে সাদা শাড়ি, নথ, লাল টিপ, লাল লিপস্টিকে পুষ্পকের সাজে ফুটে উঠেছে দারুণ একটা আভিজাত্য। ‘ভোগ’ ম্যাগাজ়িনের কভারে তিনি পরেছিলেন তসর শাড়ি। সেই ছবির ক্যাপশনে পুষ্পক স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, একটা সময় তাঁকে স্কুলের বন্ধুরা না-বুঝেই অশ্লীল ভঙ্গিতে ‘অ্যাই’ করে ডাকত।