দেবীগঞ্জে ভূমিদস্যু আব্দুর রশিদকে গ্রেফতার করেছেন দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৪, ৩:৫০ অপরাহ্ণ / ৩৮
দেবীগঞ্জে ভূমিদস্যু আব্দুর রশিদকে গ্রেফতার করেছেন দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ

মোঃ মোমিন ইসলাম সরকার,দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ২ নং শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ছত্র-শিকারপুর গ্রামের মৃত রফিজ উদ্দীন এর ছেলে বাক প্রতিবন্ধী রাকিবুল ইসলাম এর, নিজ ভোগ-দখলীয় জমি,গত ৩ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) বিকাল আনুমানিক তিন ঘটিকার সময় বে-দখল করার চেষ্টা, বৃদ্ধা মা কে মারধর করে হত্যা চেষ্টা, স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলে ৪ জন কে আসামী করে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন বাক-প্রতিবন্ধী রাকিবুল ইসলাম।

আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা করার অভিযোগের মামলা চলমান রয়েছে জেলা আদালতে।

উক্ত ঘটনার মামলার আসামিরা হলেন একই এলাকার মৃত ময়দান আলীর পুত্র মোঃ আব্দুর রশিদ (৪০), মৃত ধুলু মাসুদের পুত্র মোঃ হেলাল উদ্দীন (৪০),মৃত ময়দান আলীর আরো দুই সন্তান মোঃ আবু তালেব (৫০) ও মোঃ গোলাপ চাঁন (৪৪)।

উক্ত মামলার আসামিগন জামিনে এসে পুনরায় জমি বেদখল করার চেষ্টা করেন এবং প্রতিবন্ধী রাকিবুল ইসলাম এর পরিবার কে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দিতে থাকেন, রাকিবুল ইসলাম এসব বিষয় দেবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করার পরে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে আনুমানিক ০২ ঘটিকার সময় উক্ত ঘটনার তদন্তে যান দেবীগঞ্জ থানার এসআই মো: ফারুক রানা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মামলায় অভিযুক্ত আসামী আব্দুর রশীদ কে রাকিবুলের জমিতে ধান চাষ করতে দেখা যায়। এমতাবস্থায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে দেবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন এবং ১৬/০২/২৪ইং তারিখে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এসআই মো: ফারুক রানা বলেন, ‘আমরা জানতে পারি আব্দুর রশিদ মামলা হওয়ার পর জামিনে এসে পুনরায় প্রতিবন্ধী রাকিবুল এর জমিতে ধানের চারা রোপন করছেন ও জমি দখল করার চেষ্টা করছেন। এমতাবস্থায় ঘটনাস্থলে তদন্তে গেলে আব্দুর রশিদ মামলার বাদীর পরিবারের উপরে ক্ষিপ্ত হন ও পুলিশের সাথে খারাপ আচরণ করলে তৎক্ষনাৎ তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে দেবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়’।

উক্ত ঘটনার বিষয় দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন,
প্রতিবন্ধী পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা ও মারপিটের ঘটনায় মামলার পর জামিনে এসে পুনরায় জমি দখল করার চেষ্টা করেন গ্রেফতারকৃত আসামি আব্দুর রশিদ ও থানা পুলিশ তদন্তে গেলে পুলিশের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলার কারনে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,আজ আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।