ArabicBengaliEnglishHindi

চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণকাজ বন্ধ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ৩, ২০২৩, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ / ৩০
চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণকাজ বন্ধ

মোঃ মোমিন ইসলাম সরকার দেবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে ক্রয়কৃত বাড়ি নির্মাণের টাকা পরিশোধের দাবিতে মারধরের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) ২০২৩ সালে পঞ্চগড় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ডকরোপাড়ায় নির্মানাধীন বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি রুকসানা বেগমের ১৬/০২/১৯৮৯ তারিখে ৫ শতক জমি ক্রয় করি। আর ১৯৯৭ সালে লুৎফর ও নূরজাহানের কাছ থেকে অর্ধশতক জমি কিনেছিলাম। এরপর থেকে ৫ দশমিক ৫০ শতক জমি দখল হয়ে আছে। এরপর১৯৯৭-৯৮ সালে এসএ থেকে আরএস রেকর্ড করা হলে কোনো আপত্তি না থাকায় আমার নিজের নামে আরএস রেকর্ড করে জমিটি দখল করা হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা ও জুয়েল রানাসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত আমার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। অর্থ প্রদান না করা প্রায়শই আমাদের বিরুদ্ধে হামলা এবং মামলার দিকে পরিচালিত করে। হামলাকারীরা জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করলেও রায় তাদের বিরুদ্ধে যায়। পুরনো বাড়ি ভেঙে নতুন বাড়ি নির্মাণ শুরু করার পর তাদের হামলা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আইনি সহায়তা পেয়েও তাদের নির্যাতন থেকে রেহাই পাইনি। সম্প্রতি এ হামলার ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বাড়ি নির্মাণ শুরু করলে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। আদালতের তোয়াক্কা না করে হামলাকারীরা আমাদের ওপর নির্মম নির্যাতন শুরু করে। আমরা স্বাধীন দেশের মানুষ। আমি স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই। আমরা এই অন্যায়ের বিচার চাই। সংবাদ সম্মেলন শেষে পঞ্চগড় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের কাজ করতে নিষেধ করেন। এ সময় তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে থানায় দুটি মামলা হয়েছে। আমরা কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান। তবে যারা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘন করবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

%d bloggers like this: