কুমিল্লাবাসী হিসেবে এখন গোপালগঞ্জের বেয়াই হয়ে গেলাম: আসিফ


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২, ৮:১৯ অপরাহ্ণ / ১২০
কুমিল্লাবাসী হিসেবে এখন গোপালগঞ্জের বেয়াই হয়ে গেলাম: আসিফ

বিনোদন প্রতিবেদক :- দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এখন শ্বশুর। ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর বড় ছেলে শাফকাত আসিফ রণর আক্দ সম্পন্ন হয়েছে। কনে ইসমত শেহরীন তালুকদার ঈশিতা। ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটারবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। রণ ও ঈশিতা ছোটবেলা থেকেই একে অন্যের পরিচিত ছিলেন। ঢাকার মগবাজার ওয়্যারলেস এলাকার সেঞ্চুরি টাওয়ারে দীর্ঘদিন দুই পরিবার পাশাপাশি থাকত। জানা গেছে, দুই পরিবারের ইচ্ছাতেই তাঁদের আক্দ সম্পন্ন হয়েছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে হবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা।

ছেলের বিয়ের খবর জানিয়ে আসিফ আকবর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মাস ছয়েক আগে আমার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলের বিয়ে দিলাম বর্তমান কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে, এবার আমার ছেলে শাফকাতের বিয়ে হচ্ছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে। দুটো জেলার সঙ্গে একেবারে ব্র্যান্ড নিউ সম্বন্ধ। আমার বেয়াই ইমতিয়াজ হোসেন সাহেবের কনিষ্ঠ কন্যা ইসমত শেহরীন ঈশিতা, শাফকাত আমাদের যৌথ পরিবারের বড় ছেলে। একটা আদুরে পরিণয়ের দ্বারপ্রান্তে দুই পরিবারের আবেগ, এর চেয়ে খুশির খবর আর হতেই পারে না। চমৎকার হাসিখুশি সুখী একটি একান্নবর্তী পরিবারের সঙ্গে একীভূত হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমি কুমিল্লাবাসী হিসেবে এখন গোপালগঞ্জের বেয়াই হয়ে গেলাম।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর পাঁচ মাস আগেই মেয়ের বাবা হয়েছেন। এবার তাঁর ঘরে আসছে আরও এক নতুন কন্যা। গত শনিবার গায়কের বড় ছেলে শাফকাত আসিফের বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। ছেলের বাগদানের খবর ফেসবুকে লিখে আসিফ বলেন, ‘চলতি ২০২২ সাল আমার জীবনে আবারও ফিরিয়ে এনেছে সফলতার ২০০১ সাল। অনেক দিন পর ফিরে পেয়েছি প্রায় ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া আনন্দগুলো। শরতের ঝকঝকে তকতকে রৌদ্রোজ্জ্বল নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলায় ভাসছে আমার পরিবার। আমার পাঁচ মাস বয়সী মেয়ে আইদাহ আসিফ রঙ্গনের বাবা হওয়ার পরপরই বাসায় বেজে উঠল বিয়ের সানাই। আমাদের বড় সন্তান শাফকাত আসিফ রণর এনগেজমেন্ট (বাগদান) হয়ে গেল। আলহামদুলিল্লাহ।

ছেলের বিয়ের আয়োজনে ভীষণ ফুরফুরে মেজাজে আছেন আসিফ। তিনি আরও লিখেছেন ‘জীবনসংগ্রামে বহু বন্ধুর পথ পেরিয়ে এসে আজ নিজেকে অনেক সুখী মনে হচ্ছে। দুজনই পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করছে। ঈশিতার ছোট্টবেলা থেকেই তাকে চিনি, লক্ষ্মী মেয়েটাকে মনে মনে পুত্রবধূ হিসেবে চেয়েছি। মহান আল্লাহ সহায় হয়েছেন, আমার ইচ্ছাপূরণ হয়েছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিয়ের যাবতীয় উৎসব হবে। হাতে একদম সময় নেই। নিজের কাজ থেকে ছুটি নিলাম ১০ দিনের জন্য। সবার দোয়া চাই, আমার সত্য সরল সহজ ছেলে রণ আর আদরের বউমা ঈশিতার জন্য। শ্বশুররূপে আবারও মেয়ের বাবা হয়েছি, সার্থক একজনমে মহান আল্লাহর প্রতি শুধুই কৃতজ্ঞতা। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন।’