কাদের ইঙ্গিত করলেন রাজ? ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং’


প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ৩, ২০২৩, ৫:২৯ অপরাহ্ণ / ৯৭
কাদের ইঙ্গিত করলেন রাজ? ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং’

বিনোদন ডেস্ক :- কাগজ-কলমে সম্পর্ক ছিন্নের ব্যাপারটা এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।
তবে একে অপরকে ইঙ্গিত করে বলছেন নানা কথা। ফেসবুক হয়ে তা পৌঁছে যাচ্ছে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে শুরু করে সবার কাছে।

এক নায়িকার সঙ্গে রাজের হাত কচলাকচলির অভিযোগ থেকে স্ত্রীকে (পরী) মেরে রক্তাক্ত করার ছবি, সংসার জীবন থেকে ছুটি; প্রায় সবই উঠে এসেছে পরীমণির ফেসবুক টাইমলাইনে। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চুপচাপ ছিলেন শরীফুল রাজ।

তবে সোমবার (০২ জানুয়ারি) ভাঙেন রাজ। তার কথায় আছে প্রচণ্ড ক্ষোভ, আছে হতাশাও। রাজ বলেন, মাই বেডরুম ইজ প্রাইভেট, ভেরি প্রাইভেট। নট ফর পাবলিক। বাট আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নিচ্ছে এখন। পরী এখন যা করছে বা তার যা মন চায় করুক। তবে এটুকু স্পষ্ট করি, আমি কোনো ভুল করিনি এবং আমাদের আর এক হওয়া হবে না।

মুখে এমন বক্তব্য দিলেও শরিফুল রাজের ফেসবুক কাভারে এখনও জায়গা করে আছে পরীর সঙ্গে রোমান্টিক একটি ছবি। অনুমান করা যায়, স্ত্রী ও পুত্র রাজ্যর জন্য রাজের টানটা এখনও আছে।

সোমবার গণমাধ্যমে দেওয়া রাজের ‘এক না হওয়ার’ আভাসের প্রতিক্রিয়া সম্ভবত পরীর অংশ থেকে ভালো আসেনি। তা না হলে এমন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভোররাতে রাজ কেন খুঁজতে যাবেন ‘গড ফাদার’দের!

সোমবার দিন-রাত পেরিয়ে (৩ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৮ মিনিটের দিকে শরিফুল রাজ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে প্রথম একটি পোস্ট করেন। যেখানে প্রথমবার প্রকাশ করেছেন পরীকে নিয়ে তার নেতিবাচক অস্থিরতার বিষয়।

রাজ লেখেন, ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লিভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স। ’

রাজের পোস্ট দেখে যে কারোরই মনে হতে পারে, তিনি হয়তো হুমকি পেয়েছেন বা পাচ্ছেন। এসবের জবাবে তিনি এসব কথা লেখেন। রাজও দমে যাওয়ার মানুষ নন। তাই তো হুমকিদাতাদের সরাসরি দেখে নেওয়ার কথা বলতে ফেসবুক পোস্টের আশ্রয় নিয়েছেন।

২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। ‘গুণিন’ চলচ্চিত্রের শুটিং করতে গিয়ে মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেন। ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একই দিনে নিজেরা মা-বাবা হওয়ার খবরটিও সবাইকে জানান।

এরপর ওই বছরের ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। একই বছরের ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।