উৎপাদন বাড়িয়ে কৃষকেরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন..খাদ্যমন্ত্রী 


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৬, ২০২৩, ৫:৪২ অপরাহ্ণ / ১০১
উৎপাদন বাড়িয়ে কৃষকেরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন..খাদ্যমন্ত্রী 
মর্তুজা শাহাদত সাধন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ 
কৃষির উৎপাদন বাড়িয়ে কৃষকেরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন। কৃষি প্রণোদনা দিয়ে সরকারও কৃষকদের পাশে আছে। সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কৃষকের ভূমিকা অপরিসীম বলে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। 
বৃহস্পতিবার পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রবি মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, কৃষক যাতে সহজে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারে তার জন্য স্টিল সাইলো নির্মাণ করা হচ্ছে। কৃষক ভেজা ধান নিয়ে গেলেও তাদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। ভেজা ধান ড্রায়ারে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হবে। মজুত ক্ষমতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে আরো দুইশত পেডি সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।ইতোমধ্যে ৩০টি সাইলো একনেকে অনুমোদিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়ে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষক সমাজ বিষয়টি অনুধাবন করে উৎপাদন বাড়াতে মনোযোগী হয়েছে। আমাদের ফসল উৎপাদন বহুগুণ বেড়েছে বলেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সক্ষম হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, দেশে সারের অভাব নেই, পর্যাপ্ত সার মজুত আছে। সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকার সার আমদানিতে ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তূকি দিচ্ছে। তিনি জনগণকে দেশের উন্নয়নে আওয়ামীলীগ সরকারের পাশে থাকার আহবান জানান।
পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজীবুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম এবং নিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক প্রমুখ।
উল্লেখ্য এবছর রবি প্রণোদনার আওতায় পোরশা উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, শীতকালীন পেঁয়াজ, মুগ, মসুর ও খেসারী ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য বিনামূল্যে  বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে। আজ ৫ হাজার ৭শ ২০জন কৃষকের মাঝে ৩ হাজার ২শ দশ কেজি বীজ ৬০ হাজার কেজি ডিএপি সার ও ৫০ হাজার ৫০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।